ব্রতচারী দৃষ্টিভঙ্গিতে
কোভিড ১৯ বা নোভেল করোনা ভাইরাস
হ্যাঁচ্চো হ্যাঁচ্চো, হ্যাঁচ্চো ও দাদা
শুনতে কি পাচ্ছো ?
এত করে বলছি কানে নাহি নিচ্ছো !
হ্যাঁচ্চো হ্যাঁচ্চো হ্যাঁচ্চো !!!
ঘরে থাকুন, সুস্থ থাকুন। সরকারি নির্দেশ মেনে চলুন। অসুস্থতায় ডাক্তারের পরামর্শ নিন। গুজবে কান দেবেন না।।
সমগ্র বিশ্ব আজ এক বৃহৎ বিপদের সম্মুখীন। না কোনও বিশ্বযুদ্ধ নয়, তবে ভয়ানক এই যুদ্ধে মানুষের বিপরীতে আছে এক অণুজীব বা ভাইরাস। কোভিড ১৯ বা নোভেল করোনা নামে এই ভাইরাসটি চিনের মত এক উন্নত বৃহৎ জনসংখ্যার দেশকে এক লহমায় নরকের দ্বারে পৌছে দিয়েছে। এই মারণ ভাইরাসের কোপানলে আজ প্রতি মুহূর্তে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে ইতালি। আমেরিকার মত অর্থনৈতিক স্তম্ভের উপরে দাঁড়িয়ে থাকা দেশটিও আজ ডাক্তারের মুখ চেয়ে। গোটা বিশ্বে পাঁচ লক্ষের অধিক মানুষ আক্রান্ত এই ভাইরাস দ্বারা। জীবন যুদ্ধে হার মেনে এই পৃথিবী থেকে বিদায় নিতে বাধ্য হয়েছেন কুড়ি হাজারের অধিক মানুষ। ব্রিটেনের প্রধান মন্ত্রী নিজেই আজ আক্রান্ত এই ভাইরাসের দ্বারা।বিশ্বের অর্থনৈতিক বাজারে নেমেছে ধস। শেয়ারমার্কেট এক নিমেষে তলানিতে।
ভারতবর্ষও করোনার বিরুদ্ধে তাঁর লড়াই জারি রেখেছে। চলছে লকডাউন গোটা দেশজুড়ে। বাড়ছে একে একে আক্রান্তের সংখ্যা। কি ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে আমরা এগোচ্ছি । বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বার বার নির্দেশিকা দিয়ে জানাচ্ছেন বার বার স্যানেটাইজার দিয়ে হাত ধুতে হবে,মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। কতকগুলো শব্দ আজ সংবাদমাধ্যমে বার বার শোনানো হচ্ছে- আইসোলেসন,কোইয়ারেন্টাইন,সোশাল ডিস্টান্স,থার্মাল চেকআপ, এন নাইনটি ফাইভ মাস্ক, অ্যালকোহলযুক্ত স্যানেটাইজার ইত্যাদি ইত্যাদি। নিদারুণ দারিদ্রতার সঙ্গে রোজ লড়াই করা ভারতবাসী যে জানে না এতকিছুর মানে। বিশ্বে আবিষ্কৃত হয় নি এর কোনও চিকিৎসা পদ্ধতি ডাক্তার, নার্স, গবেষক, ল্যাবরেটরি রাত দিন এক করে খাটছেন।
বহুধর্মের দেশ এই ভারতবর্ষ।এখানে চার্চ,গির্জা,মন্দির,মসজিদ,মঠ,গুরুদ্বার কি নেই। মানুষের প্রবল বিপদে যাদের দেওয়ালে এতকাল মাথা ঠুকত, আজ তার দরজাই বন্ধ।
তবুও আমরা করবো জয়--বুকের গভীরে আছে প্রত্যয়।
প্রশাসন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন।পুলিশ আজ মানবিক।যেকোনো বিপদে মানুষের সাহায্যে আছে নানান স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। করোনার মোকাবিলা করতে আমাদের দূরত্ব রেখে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। ভিতরের লড়াইও কিছু কম নয় চলছে কালোবাজারি। লকআউট পরিচালনা করতে গিয়ে দেখা দিচ্ছে অসংগতি। মানুষের মধ্যে ভয় থেকে জন্ম নিচ্ছে রসদ মজুত করার প্রবণতা। কর্মসূত্রে ভারতের বাইরে এবং ভারতের বাইরে আটকে পড়েছেন বহু মানুষ। এক কথায় মানুষকে বিশ্বযুদ্ধের সেই ব্ল্যাকআউটের দিনগুলো মনে করিয়ে দিচ্ছে।
এখনও পর্যন্ত মানুষ যে লড়াইটা চালাচ্ছে সেটা নিজের জন্য নয় কিন্তু সেটা সে বুঝতে পারছে না। এখনও ভাবছে আমাদের পাড়ায় তো কেউ করোনায় আক্রান্ত হয়নি। মানুষের সঙ্গে অবস্থানগত দূরত্বটুকু রাখা যেখানে বিধান, সেটা কোনোদিন মনের দূরত্বে গিয়ে না দাঁড়ায়।
আমরা শিশুবেলা থেকে বহুশিক্ষায় শিক্ষায়িত হয়েছি তার কতটুকুই আর রেখেছি মনে। কিন্তু যে আচারনের অংশীদারী নিজে হয়েছি তাকে তো মনে রাখতেই হবে। ব্রতচারী আন্দোলনের মধ্যে পেয়েছি যে শিক্ষা তা হয়ত আজকের এই জরুরী পরিস্থিতির সরাসরি মোকাবিলা করতে পারত না। কিন্তু সচেতনতা বৃদ্ধি করতে পারতো। কিভাবে তা আমাদের মননে আসতে পারত তা হয়ত ব্রতচারী আন্দোলনের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা গবেষকরা বলতে পারবেন। ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে ব্রতচারী আন্দোলনের স্বরূপটা একবার দেখে নেওয়া যেতে পারে।
১৯৩১ সালে ব্রতচারী আন্দোলনের শুরু গুরুজী গুরুসদয় দত্তের মহান পরিচেষ্টায়। সেটা ছিল দেশব্যাপী বিপুল রাজনৈতিক আন্দোলন এবং আলোড়নের কাল। ১৯২৯ সালে পণ্ডিত জহরলাল নেহেরুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের লাহোর অধিবেশনে পূর্ণ স্বাধীনতা ভারতের রাষ্ট্রীয় লক্ষ্য বলে ঘোষিত হয়। ১৯৩০ সালে গান্ধীজীর লবণ সত্যাগ্রহ এবং ঐ বছরের ৬ই এপ্রিল তাঁর বিখ্যাত ডাণ্ডি অভিযান। গান্ধীজী ঘোষণা করেছিলেন তাঁর এই অভিযানের ফলে ভারতে বিপুল আলোড়ন দেখা দেবে, দেশ কেঁপে উঠবে ( ‘হিন্দুস্থান উথাল জায়েগা’)। এরপর দেশব্যাপী আইন আমান্য আন্দোলন। আবার গান্ধীজীর নেতৃত্বে অহিংস আইন অমান্য আন্দোলনের পাশাপাশি কিছুটা বিক্ষিপ্তভাবে দেশের এখানে ওখানে, বিশেষ করে বাংলায় চলছে সশস্ত্র বিপ্লব প্রচেষ্টা। ১৯৩০ এর ১৮ই এপ্রিল ঘটল মাস্টারদা সূর্য সেনের নেতৃত্বে চট্টগ্রামে সশস্ত্র অভ্যুত্থান এবং অস্ত্রাগার লুণ্ঠন। তার চারদিন পর চট্টগ্রাম শহরের অদূরে জালালাবাদ পাহাড়ে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে বিপ্লবীদের সম্মুখ যুদ্ধে ১১ জন তরুণ বিপ্লবী শহীদের গৌরবময় মৃত্যু ঘটে।
সেই আগুনঝরা দিনগুলিতে একজন সিভিলিয়ানের একটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক এবং প্রধানত সাংস্কৃতিক আন্দোলনের প্রবর্তন জাতির সমকালীন মেজাজ ও মানসপ্রবণতার সঙ্গে সঙ্গতিহীন ছিল বলেই মনে হবে। এ নিয়ে কিছুটা ভুল বোঝাবুঝির অবকাশ ছিল এবং কটাক্ষ ও বিরূপ সমালোচনাও রাজনৈতিক নেতা ও কর্মীদের একাংশের কাছ থেকে এসেছিল। এমনও বলা হয়েছিল যে এটা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের চরদের একটি চতুর চাল। গুরুসদয়কে তাঁর সহকর্মীদের অনেকেই ‘পাগলা সাহেব’ বলে ঠাট্টা করতেন।
ব্রতচারী নায়ক প্রধান প্রিয়জীর লেখা ‘যুগের বাঁশি’-এই পুস্তক প্রত্যেক ব্রতচারীর কাছে অমূল্য সম্পদ। গুরুজী গুরুসদয় দত্তের আদর্শকে বাস্তবায়িত করার কাজে প্রিয়জী ছিলেন যোগ্য ব্যক্তিত্ব। তিনি এখানে একটি গানে লিখেছেন-
জাগরে জাগরে হিন্দুস্থান - নওজোয়ান।।
দুর্নীতি সর্বস্তরে বাড়িতেছে যে আকারে
তোরা না জাগিলে পরে
যাবে জাতির কুলমান।।
শত শহিদের গড়া স্বাধীনতা সৌধ আজ
চূর্ণ করিবে কি ঐ অর্থলোভী মুনাফাবাজ
ওঠ ওঠ ত্বরা সবে, পরে ফেল বীরের সাজ
রুখিতে মজুতদারে
হও সবে আগুয়ান।।
আসে দুঃখ,দৈন্য,লজ্জা,গ্লানি,অপমান
পরাজয়ের লক্ষ ব্যাথা যায় যাক,থাক প্রাণ।
যতদিন ঐ দুষমন ঘরের শত্রু বিভীষণ
না ত্যজিবে পুণ্যভূমি নাই তাদের পরিত্রাণ।।
আজ সত্যিই করোনার কারণে যে মহামারির সূচনা পুনরায় এই ভারতবর্ষে হতে চলেছে তাকে রোধ করতে গোটা ভারতবর্ষকে জেগে উঠতে হবে।
গুরুজী নিজেও গান বেধেছিলেন কোদাল চালাই। যা বিশ্ববাসীর কাছে ব্রতচারীর নামকে পরিচয় করিয়েছে ‘কোদাল চালাই এর দল’ বলে। সেই স্বাধীনতার যুদ্ধ আজ নেই বটে তবুও এ গান আজও প্রাসঙ্গিক থাকবেও চিরকাল। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা বার বার বলছেন ইমিউনিটি পাওয়ার বাড়ানোর কথা। যা যেকোন রোগ প্রতিরোধে সক্ষম। সেই কথাই বলেছেন এই গানে-
² চল কোদাল চালাই
চল কোদাল চালাই
ভুলে মানের বালাই
ঝেড়ে অলস মেজাজ
হবে শরীর ঝালাই ।।
যত ব্যাধির বালাই
বলবে পালাই পালাই
পেটে খিদের জ্বালায়
খাব ক্ষীর আর মালাই।।
ব্রতচারী আন্দোলন মানুষের মধ্যে এক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে চেয়েছে চিরকাল। যেখানে শিক্ষার হার কম বলে চিন্তায় আছেন পৃথিবীর অন্যান্য প্রান্ত। উন্নত আমেরিকা,ইংল্যান্ড আজ নাকানি চোবানি খাচ্ছে কোভিড ১৯ এর কোপে। সেখানে ইতিহাস ঘেটে দেখলে দেখা যাবে ভারত তার ক্ষমতাবলে এমন বহু বিপদকে তুচ্ছ করতে পেরেছে। সেই শিক্ষা থেকে গড়ে ওঠে আত্মপ্রত্যয় -ভারত আবার জগত সভায় শ্রেষ্ঠ আসন লবে। মানবজীবনে সমূহ বিপদ থেকে উদ্ধার পেতে ব্রতচারী করেছিল পণ, মানা, প্রনিয়ম-
ব্রতচারীর ষোল পণ
v জলের শুদ্ধি সুরক্ষণ
v পরিপাটিতা রচন
ব্রতচারীর প্রনিয়ম
Ø ব্রতচারী মাজে দাঁত উঠে ভোরে পুনঃরাত।
দুবেলা না মাজলে দাঁত করবে শেষে অশ্রুপাত।।
প্রতিদিন স্নান যমের মুখ ম্লান।
পিত্ত অম্লশূল , হয় নির্মূল।।
Ø উচ্ছিষ্ট ভূঁয়েতে নয়,
পাত্রে ফেলিতে হয়।।
ইংরেজ দার্শনিক লরেন্স বিনিয়ন বলেছিলেন- ‘বর্তমান যুগে সমগ্র পৃথিবীতে বিশেষ করে পশ্চিম দেশে আমরা জীবনের সমগ্রতাটিকে যেন হারিয়ে ফেলেছি, আমরা জীবন-ধারা সত্য রূপকে যেন হারিয়ে ফেলেছি; ব্রতচারী সংচেষ্টা জীবনের এই সমগ্রতা ও মানুষের সঙ্গে প্রকৃতির এই লুপ্ত সংযোগ পুনঃস্থাপন করিয়ে দেওয়ার একটা পন্থা।’
তাই এই ছন্দবাদ বিশ্বজনীন। ছন্দোবদ্ধ ব্রতচারী পরিচেষ্টাকে ব্রিটেনে প্রচারের সময় গুরুজী রচনা করেন ‘If you want’ চাস যদি-- যা আজকের দিনে প্রাসঙ্গিক।
n চাস যদি
চাস যদি করতে চিত্তকে তোর জোর আর স্ফূর্তির ধাম,
চাস যদি গড়তে শরীরকে তোর সুন্দর আর সুঠাম-
চল তবে আয় ধেয়ে দে যোগ ঝটপট ব্রতচারীর দলে,
নাচ গান পণতার দ্রুত তোর তন মন ছেয়ে দেবে স্বাস্থ্যে বলে।
তোর হৃদয় ভরে প্রেম আর সখ্যে, সময় ভরে শ্রমে,
নিজ হিতে আর দেশ হিতে মত তোর মজায় তুলবি জমে।
ব্রতচারী দেশীয় লোকনৃত্য,লোকসঙ্গীত,লোকবাদ্য,লোকগাথা,লোকছড়া ইত্যাদির প্রচার প্রসার ঘটায়। ব্রতচারীর সংগ্রহে রয়েছে এমন বহু ছড়া যা অনুশীলন করলে শিশুরা গড়ে উঠবে উন্নত বিশ্বের জাগ্রত প্রহরী। সুঅভ্যাস গঠনের এই ছড়াগুলির মধ্যে শ্রীমতী গীতা সেনগুপ্তের এই ছড়াটি কেন জানি না আজ বড় প্রাসঙ্গিক মনে হচ্ছে--
সকালবেলা উঠে মোরা দাঁতটি মাজি
ভাই,
দাঁত না মেজে খাবার জিনিস মুখে
দিতে নাই।
ময়লা হাতে খেলে পরে পেটের অসুখ
হবে,
নখটি কেটে হাতটি ধুয়ে তবে খেতে
হবে।
হেথায় হোথায় থুথু ফেলে নোংরা
করবো না,
চুল আঁচড়ে চিরনিতে ময়লা
রাখবো না।
ধুলো বালি নাকে গেলে সর্দি-কাশি
হয়,
ধুলোর মাঝে চলতে গেলে নাক ঢাকতে
হয়।
চলবো সোজা বসবো সোজা নইলে
কুঁজো হবো,
সত্যি বুড়ো হবার আগেই এমনি
বুড়ো হবো।
বিশ্বের দরবারে আজ করোনাকে না জানাতে গৃহীত হয়েছে ভারতীয় অভিবাদন পদ্ধতি ‘নমস্কার’। তেমনি ব্রতচারীর অভিবাদন পদ্ধতি ডান হাত শরীরের সমান্তরাল ভাবে তুলে মুষ্টীমুক্ত অবস্থায় অপর জনকে দেখিয়ে মুখে ‘ই-আ’ বলা। এই প্রথা মহাভারতের শান্তিপর্বে যেমন দেখা যায় তেমনি প্রাচীন খলিফাদের তামান্নি বলেও পরিচিত। আজ এই করোনা ভাইরাস সংক্রমণের যুগে সোশাল দিস্টান্স বজায় রেখে দূর থেকে ‘ই-আ’ জানানো আমার মতে সবচাইতে প্রাসঙ্গিক।
সবশেষে বলার, যে বিভিন্ন স্থান থেকে সংবাদ পাচ্ছি ব্রতচারীরা তাদের সাধ্যমত সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন বিশ্বসংকটের এই মূহুর্তে। কোথাও দেখছি শিশুদের স্যানেটাইজার বানানো শেখাচ্ছেন আবার কোথাও মাস্ক তৈরীর কৌশল। ব্রতচারী এর আগে ম্যালেরিয়া, প্লেগ, কচুরিপানার মত বহু সংকটের মাঝে মানুষকে সচেতন করেছে। তাই এ দৃশ্য আমরা বারে বারে দেখতে পাবো। ব্রতচারী তাই মানবমুক্তির জন্য উপনিষদের শ্লোক থেকে বলে-
শ্বেতশ্বতর উপনিষদ ৮/৩ সূত্র
শৃণ্বন্তু বিশ্বে অমৃত্যস্য পুত্রাঃ আ য়ে ধামানি দিব্যানি তস্তূ
বেদাহমেতং পুরুষং মহাত্মনআদিত্যবর্ণং তমসঃ পরস্তাৎ
ত্বমেব বিদিত্বাতিমৃত্যুমেতি, নান্যঃ পন্থা বিদ্যতে অয়নায়।।
বাংলা অনুবাদঃ
শোন শোন সুরলোকবাসী অমৃতের যে আছো সন্তান
জানিয়াছি সেই অবিনাশী জ্যোতির্ময় পুরুষ মহান।
তপন-বরণ যিনি, আঁধারের পারে তিনি,
তাহারে জানিয়া জীব মরণ এড়ায়--
নিস্তার লাভের আর নাহিরে উপায়!!
———————
লেখনী
তুহিন শুভ্র মণ্ডল
তুহিনজী
সোনারপুর,কলি-১৫০

0 Comments