জীবন বীমা নিয়ে কথা বলতে গেলে মনে হয় এটা আমি না বললেও আপনারা সকলেই কম বেশি জানেন এমন একটা বিষয়। যাই হোক এল আই সি ভারতের প্রধান বীমা সংস্থা । প্রায় ৩০ কোটি গ্রাহক তাদের আছে। ভারতের বীমার ইতিহাস ঘটলে দেখা যাবে ১৯৫৬ সালে ভারতের ১৫০এর মত সংস্থা যাদের কাজ ছিল বীমা ও অর্থনৈতিক পরিষেবা দেওয়া , তাদের একত্র করে গঠন করা হয় ভারতীয় জীবন বীমা নিগম। বলা বাহুল্য এটি কোনও মালিকানাধীন সংস্থা নয়। এর চেয়ারম্যান চাকরি করেন। তাই মুনাফার অংশের ভাগীদারও সেই সরকার ও পলিসিহোল্ডার। জনকল্যাণ মূলক কাজে এল আই সি-র ভূমিকা বৃহৎ। প্রতিবছর এল আই সি-র লভ্যাংশ থেকে ৫% টাকা সরকারকে তুলে দেওয়া হয় জনকল্যাণ মূলক কাজের জন্য। সেই টাকায় সরকার রাস্তা, বিদ্যুৎ, দারিদ্র্য দূরীকরণ ইত্যাদি কাজে ব্যয় করে। ১৯৯৯ সালে সরকার আই আর ডি এ - গঠন করে । মুল সিদ্ধান্ত ছিল জীবন বীমা ব্যবসার বাজার উন্মুক্ত করা। ভারতের ১৩০ কোটি জনসংখ্যার সব মানুষের কাছে বীমা পরিষেবা দেওয়া একা এল আই সি-র পক্ষে সম্ভব হবে না এমনটা মনে করে। বর্তমানে ভারতে প্রায় ২৩ টি এই ধরনের কোম্পানি আছে যারা বেশিরভাগই সরকারি নিয়মানুসারে ৪৯% বিদেশি বিনিয়োগে ভারতে বীমা বিক্রির অধিকার লাভ করেছে। কিন্তু মনে রাখবেন যে এগুলো সবই কোম্পানি।এল আই সি-র বর্তমান এজেন্টের সংখ্যা প্রায় ১৪ লাখ। যারা তাদের সংসার এল আই সি র টাকায় চালায়। তাই এল আই সির এই এজেন্ট রা আপনাকে যে পরিষেবা দেবে টা ভারতের কোনও বড় ব্যাঙ্কও দিতে পারবে না। ভারতের সবচাইতে বড় এজেন্ট ভারত পারেখ। এল আই সির ট্যাগ লাইন - জিন্দেগী কা সাথ ভী- জিন্দেগী কা বাদ ভী আপনারা সবাই জানেন। কিন্তু ৭০বছর বয়স্ক ইএল আই সি-র ৩৩ বছরের এম ডি আর টি এজেন্ট পাঞ্জাব সিং - জির কাছে শিখেছি এর সাথে সাথে এল আই সি - সময় কা সাথ ভি , ও বটে।
জীবন আনন্দ আপনার সবচাইতে পরিচিত পলিসি। তবে এল আই সির এজেন্টরা সরকারি ট্রেনিং নিয়ে বর্তমানে আপনার অর্থনৈতিক শলাকার ও বটে তাই তাদের কাছে শুনুন নতুন কোনও প্লানিং করার আগে। তারাই বলতে পারবেন আপনার বর্তমান পরিস্থিতিতে ঠিক কোন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করা উচিত এবং কোন ক্ষেত্রে নয়।
আমি নিজে বহু ঘেঁটে আপনাদের জন্য কিছু পরিকল্পনা করেছি এগুলো তাই । চির যুবা প্ল্যান - যুবক বয়সে এই প্ল্যান নইলে আপনি কোনও দিনই বৃদ্ধ বয়সের অবসাদে ভুগবেন না। এ কথা আমি হলফ করে বলতে পারি।

জীবন বীমা কেনার সঠিক সময় কখন?
একটাই দিন - মৃত্যুর আগের দিন।
তাহলেই আপনি হবেন সবচাইতে লাভবান ব্যক্তি।
তবে আপনি কি জানেন আপনার মৃত্যু দিন ঠিক কবে?
তাই আজ থেকেই শুরু করুন আপনার সঞ্চয়। আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী কারন মাঝ পথে বলবেন আমি আর পারছি না এমন টা যেন না হয়। তাই নিজের সঞ্চয় কতটা করবেন সেটা ঠিক করবেন আপনি । আমরা আপনাকে সাহায্য করতে পারি ,যদি আপনি এ বিষয়ে দক্ষ না হয়ে থাকেন।
আমার জীবন বীমার সঙ্গে জুড়ে থাকা প্রায় ১৮ বছর। তাই অনেক ঘেঁটে আপনাদের জন্য একটি কোটিপতি হওয়ার প্ল্যান এনেছি। নাম অক্ষয় ক্রোড়পতি। ইচ্ছা থাকলেই যোগাযোগ অপশনে ক্লিক করুন।
জীবন বীমা এল আই সির সঙ্গে জুড়ে থেকে সারা জীবনে পেয়েছে অনেক সম্মান , পুরস্কার, ট্রফি আর এটা সম্ভব হয়েছে শুধু মাত্র আপনাদের জন্য। তাই আপনাদের জানাই অসংখ্য ধন্যবাদ। আর আমার ডেভেলপমেন্ট অফিসার মাননীয় পইরাগ সরদার কে জানাই বিনয়াবনত শ্রদ্ধা । তিনি যে ভাবে আমার পড়াশুনো চলা কালীন এল আই সির পেশাকে অবলম্বন করে বাঁচতে সহায়তা করেছেন তা ভোলার নয়।
![]() |
| অফিসার পইরাগ সরদার স্যারের সঙ্গে চ্যাম্পিয়ান্স ট্রফি হাতে |









0 Comments